Requirements not met
Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.
Browser unsupported
Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:
Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.
Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.
If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.
দেশের খবর
কানাডায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্রের দাবি
- Details
মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার বেগম নাহিদা সোবহান এবং পিডিআই কানাডার একটি প্রতিনিধি দলের মধ্যে অটোয়ায় হাইকমিশনারের কার্যালয়ে একটি বৈঠক হয়। প্রতিনিধিদলের অন্তর্ভুক্ত:
আজফার সৈয়দ ফেরদৌস
মনির জামান রাজু
মোহাম্মদ মাশুক মিয়া
মাহবুব আলম
নাসির উদ দুজা
রওশন জাহান উর্মি
কাজী জুলিয়া নাসরিন
মূল যে বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে
পিডিআই কানাডার প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে একনায়কতন্ত্রের পতন সত্ত্বেও যে চ্যালেঞ্জগুলো টিকে আছে সেগুলো তুলে ধরে, পেছনে ফেলে আসা পদ্ধতিগত কাঠামো ভেঙে ফেলার ওপর জোর দেয়। তারা সরকারকে সমালোচনামূলক সমস্যাগুলির সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
আইনশৃঙ্খলার উন্নতি।
সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও পার্বত্য এলাকায় অশান্তি মোকাবেলা করা।
দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা।
কৃত্রিম বন্যা এবং সীমান্ত হত্যা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা।
শ্রমজীবী মানুষের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
পিডিআই কানাডা একটি উদার, গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে তার প্রতিশ্রুতির জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রশংসা করেছে। যাইহোক, তারা এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে কার্যকরী সংস্কারে অনুবাদ করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছে। প্রতিনিধি দল গঠনমূলক সমালোচনা বজায় রেখে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগকে সমর্থন করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
স্মারকলিপি
প্রতিনিধি দল হাইকমিশনারকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ১২ দফা স্মারকলিপি পাঠাতে অনুরোধ করে। দাবির মধ্যে, বাংলাদেশি প্রবাসীরা যেগুলো জোরালোভাবে সমর্থন করেছেন:
বিদেশ থেকে ভোটের অধিকার: প্রবাসীদের জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার।
জাতীয় পরিচয়পত্রের বিধান (NID): কানাডায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হাই কমিশন বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে NID পেতে সক্ষম করা।
হাইকমিশনার প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন যে তাদের দাবিগুলো দ্রুত বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে।
বিস্তৃত দাবি
সাধারণ দাবি:
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন থেকে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবার সনাক্তকরণ এবং পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করুন। আহতদের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করুন।
নির্বিচারে অভিযোগ এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তু মামলার মাধ্যমে ছাত্র হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।
ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত গোষ্ঠীর মধ্যে রাষ্ট্রীয় নীতিতে বৈষম্য দূর করুন।
পাচারকৃত তহবিল পুনরুদ্ধার করুন এবং কঠোর দুর্নীতি বিরোধী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করুন।
দেশপ্রেম এবং আত্মসম্মানের নীতির উপর ভিত্তি করে ভারত, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির সাথে পররাষ্ট্র নীতির পুনর্নির্মাণ করুন।
প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করুন।
প্রবাসী-নির্দিষ্ট দাবি:
আগামী নির্বাচন থেকে শুরু করে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।
মিশন বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে NID ইস্যু করুন।
প্রবাসী এবং তাদের সন্তানদের জন্য নো ভিসা রিকোয়ারড (NVR) প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করুন।
পাসপোর্ট পুনর্নবীকরণ এবং নতুন ইস্যু করার পদ্ধতিগুলি স্ট্রীমলাইন করুন।
বিদেশে অবস্থানরত মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জাতীয় ব্যবস্থা করা।
কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের একটি বিস্তৃত তালিকা তৈরি করুন।
ধর্ম, বর্ণ, গোত্র বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে দূতাবাস এবং কনস্যুলেট কর্মীদের থেকে ন্যায়সঙ্গত পরিষেবা নিশ্চিত করুন।
উপসংহার
বৈঠকটি পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়েছিল। প্রতিনিধি দল বাংলাদেশী প্রবাসীদের অধিকারের পক্ষে ওকালতি করার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং অন্তর্ভুক্তি, ন্যায়বিচার এবং গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে সরকারকে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।
তোফাজ্জল হত্যা : ঢাবি ছয় শিক্ষার্থীর দায় স্বীকার
- Details
তোফাজ্জল হত্যা : ঢাবি ছয় শিক্ষার্থীর দায় স্বীকার
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (বাসস): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম (এফএইচ) হলে তোফাজ্জল হোসেন নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিশ^বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার তাদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় তারা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। পরে শাহবাগ থানার সাব-ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদ্দাম হোসেনের আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।
শিক্ষার্থীরা হচ্ছে- পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মো. জালাল মিয়া, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন মিয়া, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. মোত্তাকিন সাকিন, আল হুসাইন সাজ্জাদ, আহসানউল্লাহ ও ওয়াজিবুল আলম। এদের মধ্যে জালাল মিয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপসম্পাদক ছিলেন।
জানা গেছে, তোফাজ্জল নামের ওই যুবক গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে এফএইচ হলের ফটক দিয়ে মাঠের ভেতরে যান। তখন কয়েকজন শিক্ষার্থী চোর সন্দেহে তাকে আটক করে হলের অতিথি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে রাতের খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর আবার তাকে হলের অতিথি কক্ষে এনে ব্যাপক মারধর করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য মতে, এ সময় ওই যুবককে স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করা হয়। তারা জানান, গতকাল দুপুরে হল থেকে কয়েকজন ছাত্রের মোবাইল ও মানি ব্যাগ চুরি হয়েছিল। সেই ঘটনায় তোফাজ্জলকে সন্দেহ করে এভাবে মারধর করা হয়। পরে রাত ১২টার দিকে হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষক তোফাজ্জলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ১৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এডমন্টনে বৈশাখের শেষ প্রহরে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত
- Details
আলবার্টা, কানাডা (১৪, এপ্রিল ): এই প্রথমবারের মতো রাত ১২:০০ টায় শিখা প্রজ্জলনের মধ্যদিয়ে এডমন্টনে পহেলা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষ ১৪২৪কে স্বাগত জানান বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সেন্টার অব আলবার্টার সভাপতি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কানাডা ইউনিট নির্বাহী দেলোয়ার জাহিদ ।বাংলাদেশের সার্বজনীন এ উৎসবে পহেলা বৈশাখের শেষ প্রহরে তথা নতুন সূর্যোদয়কে উদয়ের আহ্বান জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এ নতুন উদ্যোগ, আয়োজনে মেতে ওঠেছে প্রবাস সহ সারা বাংলাদেশ। বর্ষবরণের উৎসব আমেজে মুখরিত দেশ এবং প্রবাসে বসবাসরত গোটা বাঙ্গালী সম্প্রদায়।
অনুষ্ঠানে কটি স্থানীয় সংগঠনের পুরুষ ও নারী নেতৃবৃন্দ সক্রিয় অংশগ্রহন করেন। বাংলাদেশ হেরিটেজ অ্যান্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টা সভাপতি মাসুদ ভুইয়া, সহসভাপতি ফয়সল ভুইয়া, রুহুল আমিন, ম সাঈদ, কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন, ফারজানা কাদের, চাদনী লস্কর এবং এমজেএমএফ বাংলাদেশ স্পোর্ট্স ক্লাব অব আলবার্টা সভাপতি আহসান উল্লাহ, তানভীর হাসান, সোনিয়া ইসলাম, আসমা আক্তার, রায়হানা রাসমিন, এলমা জাহিদ, সোহা ইসলাম, ম সালাউদ্দিন প্রমুখ সহ শিশু কিশোরেরা অংশ নেয়।
সর্বজনীন এ অসাম্প্রদায়িক উৎসবে গ্রীষ্মের খরতাপ উপেক্ষা করে বাঙালি সমাজ মিলিত হয় নানাহ অনুষ্ঠানে দেশের পথে ঘাটে, মাঠে-ময়দানে, কোটি মানুষের প্রাণের চাঞ্চল্যে ভরা, উৎসব মুখর বিহ্বলতায়।
অনুষ্ঠানে কটি স্থানীয় সংগঠনের পুরুষ ও নারী নেতৃবৃন্দ সক্রিয় অংশগ্রহন করেন। বাংলাদেশ হেরিটেজ অ্যান্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টা সভাপতি মাসুদ ভুইয়া, সহসভাপতি ফয়সল ভুইয়া, রুহুল আমিন, ম সাঈদ, কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন, ফারজানা কাদের, চাদনী লস্কর এবং এমজেএমএফ বাংলাদেশ স্পোর্ট্স ক্লাব অব আলবার্টা সভাপতি আহসান উল্লাহ, তানভীর হাসান, সোনিয়া ইসলাম, আসমা আক্তার, রায়হানা রাসমিন, এলমা জাহিদ, সোহা ইসলাম, ম সালাউদ্দিন প্রমুখ অংশ নেন।
প্রচন্ড শীত, বৃষ্টি আর তীব্র হাওয়া উপেক্ষা করে বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের নিবেদিত প্রান কিছু পরিবার এডমন্টন ইষ্ট এর পাবলিক লাইব্রেরী প্রাঙ্গনে জড়ো হন দেশের চৈত্রকে বিদায় জানাতে।
বাঙালির এই প্রাণের উৎসব ও ব্যতিক্রমি আয়োজনকে ঘিরে এডমন্টন নর্থ এলাকার পুরোটাই ঢেকে দেয়া হয়েছিলো নিরাপত্তা চাদরে।
বাংলাদেশ হেরিটেজ অ্যান্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টা সভাপতি মাসুদ ভুইয়া উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিবছর অনুরুপভাবে বর্ষবরণের প্রতিশ্রুতি দেন।
বৈরী আবহাওয়ার কারনে মঙ্গলশোভা যাত্রা স্থগিত ঘোষনা করেন প্রেসক্লাব সভাপতি।
এশিয়া নিউজ ও ভিউজ এর প্রকাশক সাইফুর হাসান ব্যবস্থাপনা ও সাজসজ্জার দায়িত্বে ছিলেন।
ছবিতেঃ এডমন্টনে বর্ষবরণে বাঙ্গালী কমিউনিটি এবং আলবার্টা প্রিমিয়ার এর শুভেচ্ছা বিনিময় প্রেসক্লাব সভাপতি ও আগত অতিথিদের সাথে। পার্লাম্যান্টে বাংলা নববর্ষকে স্বীকৃতি দানের পূর্বে...
আজকের পৃথিবীতে মহামতি গৌতম বুদ্ধের শিক্ষার একান্ত প্রয়োজন : শেখ হাসিনা
- Details
ঢাকা, ১২ মে, ২০১৪ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হিংসায় উন্মত্ত পাশবিক শক্তিকে দমন করার জন্য আজকের পৃথিবীতে মহামতি গৌতম বুদ্ধের শিক্ষার একান্ত প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি বলেন, ভয়, লোভ-লালসাকে অতিক্রম করে গৌতম বুদ্ধ সারাজীবন মানুষের কল্যাণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, মৈত্রী ও করুণার বাণী প্রচার করেছেন। শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল তাঁর (বুদ্ধ) একমাত্র লক্ষ্য।
শেখ হাসিনা শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী মহামানব গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপ্রয়াণের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ দেশে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ মুক্ত পরিবেশে নিজ-নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে প্রতিপালন করে থাকেন।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাও যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমানভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আশা করি জ্ঞান, মেধা, কর্মদক্ষতা ও কৃতিত্বে এ দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় গৌতম বুদ্ধের আদর্শে আরও উজ্জীবিত হবে।’
তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধের অহিংস, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী এবং তাঁর জীবনাদর্শ ধারণ ও লালন করে আমরা এ দেশকে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বসভায় প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক- এ কামনা করছি।’
- Additional Resources:
- Additional Resources:
- Agro-Ocean
- Bangabandhu Development and Research Institute
- Bangladesh North American Journalists Network
- Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA)
- Coastal 19
- Delwar Jahid's Biography
- Diverse Edmonton
- Doinik Ekattorer Chetona
- Dr. Anwar Zahid
- Edmonton Oaths
- Mahinur Jahid Memorial Foundation (MJMF)
- Motherlanguage Day in Canada
- Samajkantha News
- Step to Humanity Bangladesh







