Requirements not met

Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.


Browser unsupported

Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:

Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.


Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.

If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.


Your browser either has Cookies turned off or does not support cookies.

If you are unsure how to enable Cookies in your browser, please visit wikiHow's »How to Enable Cookies in Your Internet Web Browser«.

 

Select Language / ভাষা নির্বাচন:

শীর্ষ সংবাদ

এই বিভাগে

বিজ্ঞাপন

  • Attestation Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  •  Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta · Promoter of Bangladeshi Culture and Heritage in and around Edmonton
  • Document Preparation Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • R.S. Jeweler's in Bangladesh
  • Legal Witnessing Service from EdmontonOaths Alberta Commissioner of Oaths Services
  • Celebration of Mother Language, Culture and Heritage at MotherLanguageDay.ca
  • Samajkantha Online Inc. · The Voice of Society · Bengali online news magazine

Bengali Fonts

You need to install at least one Bengali font to read or write Bengali.

We offer a .ZIP-File true type font for download. Read the following installation instructions to see how to install the font.

সম্পাদকীয়

খুলনা, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইনি ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।

আজ শনিবার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্ববোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। সবসময় মনে রাখতে হবে পুলিশ জনগণের সেবক, জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

পুলিশ প্রধান আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সাইবার ট্র্যাকিংসহ সকল আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি থানাকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজগম্য, জনবান্ধব ও আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশনা দেন। 

মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুলিশ ও সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজের সচেতন ও ভালো মানুষদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে অপরাধ দমনে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।

আইজিপি বলেন, কোনো দুর্ঘটনা, অপরাধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক তদন্ত, সঠিক রিপোর্টিং এবং দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমেই সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব ।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (কেএমপি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের প্রধানসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় খুলনা বিভাগের পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তাদের সমস্যা ও চাহিদার কথা আইজিপির কাছে তুলে ধরেন। আইজিপি সকলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং যথাসম্ভব সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

কল্যাণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট মো. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়াসহ খুলনার বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে আইজিপি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে এলে পুলিশের একটি চৌকস দল আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে গার্ড অব অনার দেয়। 

পরবর্তীতে তিনি বয়রাস্থ পুলিশ লাইন্সের প্রাকৃতিক ও মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি পুলিশ লাইন্সের পরিবেশ, সবুজায়ন ও নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তিনি পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এছাড়া তিনি কেএমপির নির্মাণাধীন বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

 

ছবি : বাসস

 

 

 
 
শিক্ষা সংবাদদাতা//
 
বগুড়ার পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে চলমান প্রশাসনিক অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে উপাচার্য অধ্যাপক ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্রের বিরুদ্ধে উত্থাপিত একাধিক গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। এসব অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসন, নৈতিকতা এবং আইনি কাঠামো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করেছে।
 
জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে চারটি প্রধান অভিযোগ উত্থাপন করা হয়—
 
ফৌজদারি মামলা:
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতা ও দমন-পীড়নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে তিনি আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
 
অনুমোদনবিহীন বিদেশ গমন:
অভিযোগ রয়েছে, তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই একাধিকবার বিদেশ সফর করেছেন। সর্বশেষ ১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ভারতে যাত্রা প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘনের শামিল বলে মনে করা হচ্ছে।
 
পদত্যাগপত্র নিয়ে অনিশ্চয়তা:
২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর দাখিল করা তার পদত্যাগপত্র ২০২৬ সালের শুরু থেকে কার্যকর করার কথা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি, যা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তহীনতার ইঙ্গিত দেয়।
 
দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার:
নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে। বিশেষ করে নিজের পুত্রকে যোগ্যতা ছাড়াই শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রচেষ্টার অভিযোগ পরে তদন্তে বাতিল হয়।
 
আইনি ও প্রশাসনিক বিশ্লেষণ
 
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত থাকা অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে বহাল থাকলে তা নৈতিকতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন তোলে। একইভাবে, অনুমোদন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ সরকারি আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
 
পদত্যাগপত্র দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা প্রশাসনিক দুর্বলতা নির্দেশ করে, আর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বোর্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।
 
গভীরতর সংকট
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদ কার্যত অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রম, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে।
 
করণীয়
 
পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষজ্ঞরা নিম্নোক্ত পদক্ষেপের সুপারিশ করেছেন—
 
স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন
সংশ্লিষ্ট অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ
প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
উপসংহার
 
পুন্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সংকট কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; এটি দেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতের গভীর কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন। অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শিক্ষা ব্যবস্থায় জনআস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বে প্রবাসীদের জন্য "বাংলাদেশ গ্লোবাল সিটিজেন নেটওয়ার্ক" প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মানবাধিকার এডভোকেট দেলোয়ার জাহিদ আহ্বায়ক ও কৃষিবিদ ড, আশরাফ আলম সদস্য-সচিব নির্বাচিত


৫ অক্টোবর , ২০২৪-সন্ধ্যায়  কানাডা প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক, মানবাধিকার-এডভোকেট দেলোয়ার জাহিদ এর সভাপতিত্বে সেন্ট্রাল আলবার্টার রেড ডিয়ারে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বিষয়ে একটি একাডেমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়. বর্তমান বিশ্বে প্রবাসীদের জন্য একটি " গ্লোবাল সিটিজেন নেটওয়ার্ক" প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় তাদের অধিকার , বিশেষাধিকার গুলো তুলে ধরা দেশের প্রবাসী নাগরিকরা,অন -আবাসিক বাংলাদেশী  (এনআরবি ) এবং বাংলাদেশ  বংশোদ্ভূত ব্যক্তি হিসাবে সংবিধানে উল্লেখ করা, তারা বিভিন্ন অধিকার এবং সুবিধা ভোগ করতে সেবা খাত উন্নত করা , এছাড়াও আর্থিক অধিকার যেমন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: এনআরবিরা তাদের আয় এবং সঞ্চয় পরিচালনা করতে দেশে  বিভিন্ন ধরনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং বজায় রাখতে পারা তারা বাংলাদেশের  স্টক, মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন্যান্য আর্থিক উপকরণগুলিতে যেন বিনিয়োগ করতে পারে, কিছু নির্দিষ্ট প্রবিধান সাপেক্ষে তার ব্যবস্থা করা সম্পত্তির মালিকানা- আবাসিক এবং বাণিজ্যিক সম্পত্তি ক্রয় করতে পারে এমন সুবিধাদি তৈরী করার উপর আলোকপাত করেন বক্তারা  । আলোচনায় অংশ নেন কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আলম. কৃষিবিদ মোয়াজ্জেম হোসাইন, মোহাম্মেদ তারেক, রবিন তানা প্রমুখ

  ড. মোহাম্মদ আলম বলেন প্রবাসীদের তাদের আয় এবং সঞ্চয় পরিচালনা করতে বাংলাদেশে  বিভিন্ন ধরনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট  খুলতে এবং বজায় রাখতে পারে এর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন  প্রবাসীদের  বিনিয়োগ: স্টক, মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন্যান্য আর্থিক উপকরণগুলিতে বিনিয়োগ করতে পারার পাশাপাশি স্বল্প সুদে ঋণ দেয়া , কিছু নির্দিষ্ট প্রবিধান সাপেক্ষে।

কৃষিবিদ মোয়াজ্জেম দেশে বিদেশে প্রবাসীদের সকল সুযোগ সুবিধার  বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক  কাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেন।

সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ বিশ্বের ১৫৭টি দেশে বসবাসকারী ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আশু নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান জানান। তিনি ২০১০ সাল থেকে এ দাবিটি নিয়ে টালবাহানা ও যে অর্থ অপচয় করা হয়েছে এর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করার  দাবি জানান । প্রবাসীরা যেন মামলা দায়ের করতে পারে এবং সম্পত্তি বিবাদ, ব্যক্তিগত বিষয় ইত্যাদির জন্য বাংলাদেশের  বিচার ব্যবস্থায় অ্যাক্সেস পেতে পারে এমনতর  ভাবে আইনকে সংস্কার করা।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মানবাধিকার এডভোকেট দেলোয়ার জাহিদ কে আহ্বায়ক ও কৃষিবিদ ড, আশরাফ আলম সদস্য-সচিব, ও মোয়াজ্জেম হোসাইন, রুবিন ত্যানা ও মোহাম্মদ তারেক কে সদস্য নির্বাচিত করা হয়.

ছবির ডান থেকে : কৃষিবিদ  মোয়াজ্জেম হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ, ড, আশরাফ আলম, মোহাম্মদ তারেক, রুবিন ত্যানা



 

 

 

দেলোয়ার জাহিদ//

 

রায়পুরা রামনগর নামের একটি ছোট গ্রামের প্রাণকেন্দ্রে, সবুজ মাঠ এবং উজ্জ্বল নীল আকাশের মধ্যে অবস্থিত, একটি পুরানো, সূর্য-চুম্বিত স্কুল দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে খালেক মাস্টার একজন শিক্ষক হিসাবে কাজ করেন। তার উজ্জ্বলতা এবং জনপ্রিয়তার জন্য পরিচিত, এই স্কুলটি অন্য যেকোন স্কুল থেকে ভিন্ন; এটি স্বপ্নের ওজন এবং প্রজ্ঞার সুবাস বহন করে, প্রজন্মের মধ্য দিয়ে তার উত্তরাধিকার ত্যাগ করে। এই সম্মানিত শিক্ষাবিদ এম. এ. খালেক একজন প্রতিভাবান কবি হিসেবে স্বীকৃত যিনি তাঁর সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন। তিনি নারী শিক্ষার অগ্রদূত ছিলেন, বিশেষ করে তার পাঁচ কন্যার শিক্ষা ও উন্নয়নের মাধ্যমে। মরহুম খালেক বিশ্বাস করতেন যে শিক্ষাই নারীর অগ্রগতির চাবিকাঠি, এবং তার মেয়েরা যাতে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে তার জন্য তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তার জীবন উদাহরণ দেয় কিভাবে একজন পিতার প্রচেষ্টা একটি পরিবারের ভবিষ্যত পরিবর্তন করতে পারে এবং সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তাঁর কবিতায় প্রতিফলিত শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ পাঠকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে।

 

মরহুম খালেকের জীবনসঙ্গী আনোয়ারা বেগম ছিলেন একজন স্পষ্টভাষী অথচ অসাধারণ মহিলা যিনি কেবল তার জ্ঞানের জন্যই নয়, তার সন্তানদের শেখানোর জন্য তার আবেগপূর্ণ এবং মর্যাদাপূর্ণ পদ্ধতির জন্য পরিচিত। তার জন্য, মেয়েদের শিক্ষিত করা এবং ক্ষমতায়ন করা কেবল একটি পেশা নয়-এটি একটি পবিত্র আহ্বান এবং একটি গভীর দায়িত্ব ছিল।

 

প্রফেসর নার্গিস আক্তার, পাঁচ কন্যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট, তার বড় বোনের সাথে, শিক্ষার প্রতি তাদের পিতার ভালবাসা এবং শিক্ষকতা মহান পেশার প্রতি নিবেদন উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন। একসাথে, তারা তাদের পিতার উত্তরাধিকার বহন করেছে, প্রত্যেকে শিক্ষার জগতে তাদের নিজস্ব চিহ্ন তৈরি করেছে।

 

সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাহিদা আক্তার বর্তমানে চট্টগ্রামের কলেজে শিক্ষকতা করছেন। শিক্ষক  হিসেবে, তার বক্তৃতা ছাত্রদের অনুপ্রাণিত করে এবং শেখার প্রতি তাদের আবেগ জাগিয়ে তোলে। নাহিদা বিশ্বাস করেন যে শিক্ষা এমন একটি শক্তি যা সমগ্র সম্প্রদায়কে উন্নত করতে পারে। তার শ্রেণীকক্ষগুলি কেবল একাডেমিক শিক্ষার জায়গা নয়; তারা জীবনের পাঠ, দর্শন এবং প্রজ্ঞার জন্য স্থান। ছাত্ররা শুধুমাত্র তার একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বের জন্য নয়, গভীর, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা গড়ে তোলার ক্ষমতার জন্য তাকে প্রশংসা এবং সম্মান করে।

 

পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যাপক শামীমা আক্তার, তার বড় ভাইবোন এবং বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন, তরুণ মহিলাদের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছেন যারা একসময় শিক্ষাকে নাগালের বাইরে ভেবেছিলেন। তিনি অক্লান্ত ভাবে মহিলাদের অধিকার এবং শিক্ষার গুরুত্বের পক্ষ সমর্থন করেন, তার ছাত্রদের সমতা এবং ক্ষমতায়ন সম্পর্কে শিক্ষা দেন। ন্যায়বিচারের প্রতি শামীমার আবেগ অবিচ্ছিন্নভাবে একজন শিক্ষক হিসাবে তার ভূমিকার সাথে জড়িত, তার শ্রেণিকক্ষ গুলোকে আলোকিত ও মুক্তির স্থান করে তোলে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সামাজিক সীমাবদ্ধতার বাইরে স্বপ্ন দেখতে শেখে।

 

পাঁচ কন্যার মধ্যে দ্বিতীয় নাসিমা আক্তার একজন দূরদর্শী নেত্রী এবং BARD (বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট) এর সাবেক পরিচালক। একটি অগ্রগামী চিন্তাধারার সাথে, তিনি শিক্ষা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে উদ্ভাবন এনেছেন। তার বাবার মতো, তিনি বিশ্বাস করেন যে শিক্ষা সামাজিক অগ্রগতির ভিত্তি। নাসিমার নেতৃত্ব জনগণকে একত্রিত করার এবং সাধারণ লক্ষ্যগুলির দিকে কাজ করতে, শ্রেণিকক্ষের বাইরে শিক্ষার পরিধি প্রসারিত করা এবং সম্প্রদায়ের উন্নয়নের সাথে এটিকে একীভূত করার জন্য তার ক্ষমতা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

 

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা শিরীন ফেরদৌসি তার কোমল আচরণ এবং গভীর মমতার জন্য পরিচিত। তিনি সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় কাজ করেছিলেন যেখানে সম্পদ সীমিত ছিল, তবুও তার আত্মা ছিল উদার। শিরিন বিশ্বাস করতেন যে প্রতিটি শিশু, তাদের পটভূমি নির্বিশেষে, মানসম্পন্ন শিক্ষার দাবিদার। তিনি ছোট পদক্ষেপের শক্তিতে বিশ্বাস করে ধৈর্য এবং দয়ার সাথে শিক্ষাদানের জন্য তার দিনগুলি উৎসর্গ করেছিলেন। তার ছাত্ররা, অনেক চ্যালেঞ্জিং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে, তার মধ্যে একটি লালন পালনকারী ব্যক্তিত্ব খুঁজে পেয়েছিল যিনি তাদের মনের মতো তাদের হৃদয়ের যত্ন নেন।

 

মাতা আনোয়ারা বেগম, তৃতীয় বোন, তাকে কেবল একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে নয়, একজন আধ্যাত্মিক পরামর্শদাতা হিসেবে আবিষ্কার করেছিলেন। তার জীবন প্রশান্তি এবং প্রতিফলন দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল, গভীর আধ্যাত্মিকতার সাথে ঐতিহ্যগত জ্ঞান মিশ্রণ। আনোয়ারা বিশ্বাস করতেন যে শিক্ষা শুধু মনকে নয়, আত্মা কে বেষ্টন করে। তার সন্তানরা তার নির্দেশনায় নৈতিকতা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তির শক্তি সম্পর্কে শিখেছিল। একজন মা হিসাবে, তিনি একজন প্রিয় পরামর্শদাতা হয়ে ওঠেন, জ্ঞান প্রদান করেন এবং জীবনের জটিলতার মধ্য দিয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

একসাথে, এম. এ. খালেক এবং তার পাঁচ কন্যার উত্তরাধিকার শিক্ষার রূপান্তরকারী শক্তি এবং সমাজে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রমাণ হিসাবে দাঁড়িয়েছে।